মেয়ের প্রতি মায়ের উপদেশ

প্রিয় মেয়ে আমার! তোমাকে আমি দশটি নসিহত করছি। এগুলো তুমি খুব ভালোকরে স্মরণ রাখবে। এক. অল্পতেই তুমি সন্তুষ্ট থাকবে! অল্পেতুষ্টি ও পরিতৃপ্তিকে সবর্দা নিজের সঙ্গী বানিয়ে নেবে। দুই. যে কোনো আদেশ পালন করার জন্য সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখবে। তিন. যেসকল স্থানে সচরাচর চোখ যায় সেদিকে তুমি সতর্ক দৃষ্টি রাখবে! এবং দুর্গন্ধযুক্ত স্থানের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল […]

বিস্তারিত

মুমিনের এক মহৎ গুণ

দুনিয়াতেই যারা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে ধন্য হয়েছিলেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা. তাঁদের অন্যতম। ছিলেন ইহুদীদের ধর্মগুরু। মেধা ও প্রতিভা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় ওই মহলে তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল সর্বজনস্বীকৃত। খ্যাতি ছিল তুঙ্গস্পর্শী। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটিও জগতজোড়া মশহুর।নবুওতের সত্যাসত্য যাচাইয়ের জন্য নবীজীর খেদমতে নিবেদন করেছিলেন তিনটি প্রশ্ন। নবীজী তাঁর নবীসুলভ ঐশী জওয়াব দিয়ে পরিতৃপ্ত করে […]

বিস্তারিত

প্রশান্ত হৃদয় চাই!

যিকরুল্লাহর মাধ্যমে একজন মানুষ প্রশান্ত হৃদয়ের অধিকারী হতে পারে। অন্য কোনো মাধ্যম বা মেথডের প্রয়োজন নেই। কারণ, যিকরুল্লাহ ছাড়া শত চেষ্টা-প্রচেষ্টা দ্বারা কোনো লাভ আশা করা যায় না। আখেরাতের সফলতা ও সুখ তো নয়ই, পার্থিব সুখ, সফলতা ও শান্তিও এভাবে মিলবে না। হযরত ইউনুস আ. যখন তিন তিনটি অন্ধকারে নিমজ্জিত; রাতের অন্ধকার, সমুদ্র তলদেশের অন্ধকার […]

বিস্তারিত

আখেরাতের সহযোগী

বিবাহের মাধ্যমে দুটি জীবন একসাথে পথচলা শুরু করে। তাই সবক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগী, উভয়ে উভয়ের কল্যাণকামী। আর দুনিয়ার কল্যাণ ও আখেরাতের কল্যাণ- এ দুয়ে মিলেই মুমিনের কল্যাণ। কারণ, মুমিন দুআ করে- رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنْیَا حَسَنَةً وَّ فِی الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّار. হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখেরাতে কল্যাণ দাও […]

বিস্তারিত

আর কী চাই!

পৃথিবীতে মানুষ যত নিআমত লাভ করে, এর মধ্যে নেককার স্ত্রী অন্যতম প্রধান নিআমত। স্ত্রী নেককার ও আখলাকওয়ালা হলে পরিবারে জান্নাতী আবেশ বিরাজ করে। অন্যথায় শান্তির পরিবারই হয়ে যায় সাক্ষাৎ জাহান্নাম। তাই তো নেককার স্ত্রীকে হাদীস শরীফে মহা নিআমত ও সৌভাগ্যের বিষয় বলা হয়েছে। আর বদকার স্ত্রীকে দুর্ভাগ্যের বিষয় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ […]

বিস্তারিত

পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে দ্বীনদারী ও উত্তম আখলাকের গুরুত্ব

পাত্র-পাত্রী নির্বাচন কত কঠিন বিষয়; এক দিক মেলে তো আরেক দিক মেলে না। তাই এক্ষেত্রে হাদীসের শিক্ষা হল-যখন কোনো পাত্র বা পাত্রীর মাঝে দ্বীনদারী ও উত্তম আখলাক পেয়ে যাও তো বুঝে নাও এখানে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে। এমনকি যদি অন্যান্য বিষয় অতটা পছন্দ নাও হয়। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- إِذَا جَاءَكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ […]

বিস্তারিত