নামাযের পর আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু যিকির ও দুআ পড়তেন। নামায শেষে সেই দুআ ও যিকিরসমূহ পড়া সুন্নত। আর জীবনের সর্বক্ষেত্রে রাসূলের সুন্নত মেনে চলতে পারলেই তো তুমি হতে পারবে একজন সফল মুমিন। তাই গুরুত্বের সাথে নামায শেষের দুআ ও যিকিরসমূহ মুখস্থ করে নাও। আজ আমরা নামাযের পরে পড়ার কয়েকটি দুআ-যিকির শিখব। […]
গর্ভবতী নারীর যদি রোযা রাখলে গর্ভস্থ বাচ্চার ক্ষতির আশংকা হয়, বা গর্ভবতী নারী মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে যাওয়ার আশংকা হয়, তাহলে রোযা রাখবে না। বরং রোযা ভাঙ্গা তার জন্য জায়েজ। তবে পরবর্তীতে এর কাযা আদায় করতে হবে। {ফাতওয়ায়ে রহিমীয়া-৭/২৭০} ডাক্তারের নিষেধ সত্বেও যদি রোযা রাখে, তাহলে রোযা হয়ে যাবে। তবে গর্ভস্থ বাচ্চার মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশংকা […]
ছেলে বা মেয়ের বালেগ তথা প্রাপ্ত বয়স্ক হবার মূল নিদর্শন বীর্যস্খলন হওয়া। এটির প্রকাশক অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন ১. ছেলে মেয়েদের সেটি স্বপ্নদোষের মাধ্যমে প্রকাশিত হতে পারে। ২. ছেলেদের দাড়ি গোফ উঠা আর মেয়েদের স্তন বড় হওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। ৩. মেয়েদের হায়েজ আসা, গর্ভধারণ করা ইত্যাদির মাধ্যমেও বালেগ হওয়া সাব্যস্ত হয়। […]
তারাবীহ নামাযের প্রতি চার রাকাত পর নির্দিষ্ট কোন দুআ দরূদ পড়ার কথা বিশুদ্ধ সূত্রে হাদীসে বর্ণিত হয়নি। বাকি চার রাকাত পর এতটুকু সময় বসা মুস্তাহাব, যতক্ষণ সময় চার রাকাত নামায পড়তে সময় লেগেছে। সেই সময় নফল নামায পড়া, তাসবীহ পড়া, দরূদ পড়া, জিকির করা, কুরআন তিলাওয়ত করা, কিংবা চুপ করে বসে থাকা, মক্কায় হলে তওয়াফ […]
আমাদের কাছে পরিস্কার যে, নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে। আর রোযা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোযা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজারের মাধ্যমে ওষুদ পৌছালেও রোযা ভেঙ্গে যাবে। এক্ষেত্রে রোগীর যদি নেবুলাইজার ছাড়া থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাহলে […]
রোযা হয়ে যাবে। কিন্তু ফজরের নামায ইচ্ছেকৃত কাযা করার কারণে কবীরা গোনাহ হবে। দিনে গোসল করতে পারলে রাতেও গোসল করা যায়। নামায নিয়ে অলসতা করা মোটেও উচিত নয়। বিশেষ করে রমজান মাসে। এ মাসে সওয়াবের কাজ করার যেমন অনেক বেশি সওয়াব তেমনি গোনাহের শাস্তিটাও হবে কঠোর। তাই নামাযের মত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত বিষয়ে অলসতা করা যাবে […]
