গুনাহ কি? কাকে বলে?

গুনাহ বলা হয় আল্লাহ তাআলার আদেশকৃত বিষয়গুলো ছেড়ে দেওয়া এবং তার নিষেধকৃত বিষয়সমূহ গ্রহণ করাকে। অর্থাৎ আল্লাহ ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে-সকল কথা, কাজ ও জাহেরি, বাতেনি আমলের আদেশ করেছেন সেগুলোকে ছেড়ে দেওয়া এবং তারা যে-সকল বিষয় করতে নিষেধ করেছেন, সেগুলোকে করাই হলো গুনাহ বা অবাধ্যতা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তার অবাধ্যতাকারীদের […]

বিস্তারিত

অজ্ঞতার প্রতিকার

নবী কারীম অজ্ঞতাকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে জ্ঞানী বা আলিম ব্যক্তিবর্গের শরণাপন্ন হতে হবে, তাঁদের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে অজ্ঞতাকে দূর করে করতে হবে। সুনানু আবি দাউদে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু’র ভাষ্যে একটি ঘটনা বিবৃত হয়েছে। তিনি বলেন,শীতকালে আমরা একটি সফরে ছিলাম। পাথরের আঘাতে আমাদের এক সফরসঙ্গীর মাথা আঘাতপ্রাপ্ত […]

বিস্তারিত

একজন মুসলিম স্ত্রীর জন্য

হে বোন! শয়তানের অনুচর হতে সাবধান;তারা মূলত আপনাকে পথভ্রষ্ট করতে চায়। আপনি নিজেকে আল্লাহর প্রকৃত গোলাম, দীনদার ও নেককার নারী বা পুরুষের মাতা হিসেবে তৈরি করুন এবং এই উম্মাহর গঠনে আপনার ভূমিকা জানুন। আপনি নিজের দায়িত্বটুকু পালন করুন, তবে খবরদার! এই উম্মতের ধ্বংসের কারণ হবেন না। একটি নেককার, আদর্শবান প্রজন্মের নির্মাতা হোন, যা মানবজাতিকে আবারও […]

বিস্তারিত

যিলহজ্বের প্রথম দশ দিনের ফযীলত, গুরুত্ব ও আমল

কুরআন ও সহীহ হাদীসে যিলহজ্ব মাসের বহু গুরুত্ব এসেছে। এ মাসের প্রথম দশ দিন বছরের শ্রেষ্ঠ দিন। উক্ত দশ দিনের আমল আল্লাহ তাআলার কছে অধিক পছন্দনীয়। যিলহজ মাসের ফযীলত জিলহজ মর্যাদাপূর্ণ মাস সমূহের একটি। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,{ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ }মাসসমূহ হতে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটাই দ্বীন। […]

বিস্তারিত

কুরবানির নেসাব: কুরবানি কার উপর ওয়াজিব।

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। -টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। -আর নিসাব […]

বিস্তারিত

একজন মুসলিম স্বামীর জন্য।

আপনার স্ত্রীর সাথে সুন্দর আচরণ করুন। রূঢ়, কঠোর এবং নিষ্ঠুর হবেন না। স্ত্রীর সাথে পরামর্শ না করে জোরপূর্বক আপনার ইচ্ছা ও সিদ্ধান্তগুলোকে তার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। তার কষ্ট এবং অনুভূতিকেও বিবেচনা করুন। কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা নিয়ে পরস্পরে পরামর্শ করুন এবং স্ত্রীর সাথে সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। আপনার স্ত্রীকে অন্য আরেকটা মানুষের পরিবর্তে কোনো […]

বিস্তারিত