বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত যেভাবে করবেন

মা-বাবার কবরের পাশে গেলে মন বিষণ্ন হওয়া বা চোখ অশ্রুসিক্ত হওয়া স্বাভাবিক। তাই কবরের কাছে গিয়ে হা–হুতাশ করা ঠিক নয়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর আম্মার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে ক্রন্দন করেন। তাঁর সঙ্গীসাথীরাও অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তারপর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি আমার রবের কাছে আমার মায়ের কবর জিয়ারত করার […]

বিস্তারিত

কেয়ামতের দিন যাদের বিচার আগে হবে!

হজরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর বরাতে এই হাদিসের বর্ণনা আছে। তিনি নবী (সা.)-এর কাছে নিচের ঘটনাটি শুনেছেন। কিয়ামতের দিন প্রথম যার বিচার হবে, সে একজন শহীদ। তাকে আল্লাহর দরবারে হাজির করা হবে। আল্লাহ তাকে তাঁর দেওয়া নিয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবেন। সে তা স্মরণ করবে। এর পর আল্লাহ বলবেন, ওই নিয়ামতের বিনিময়ে তুমি কী আমল করে […]

বিস্তারিত

সুরার অর্থ বুঝলে নামাজে মনোযোগ অটুট থাকে!

নামাজের পূর্ণতার জন্য গভীর মনোযোগ একান্ত জরুরি। নামাজে আমরা যা বলি, তার অর্থ যদি জানা থাকে, তাহলে নামাজে অন্য চিন্তা মাথায় আসবে না। নামাজে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাকবিরে তাহরিমার সময় দৃষ্টি সিজদার জায়গায় রাখতে হবে। দাঁড়ানো অবস্থায়ও দৃষ্টি সিজদার জায়গায় রাখতে হবে। এরপর রুকু অবস্থায় দৃষ্টি পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলির দিকে; পুনরায় দাঁড়ানো অবস্থায় দৃষ্টি সিজদার […]

বিস্তারিত

কেন আপনার শিশুর জন্য আকীকা জরুরি!

প্রাক-ইসলাম আরবেও আকিকার প্রচলন ছিল। ইহুদিরা কেবল পুত্রসন্তানের জন্য আকিকা দিত। রাসুল (সা.)-এর একটি হাদিস থেকেও তা জানা যায়। দাউদ-আল-জাহিরিসহ কয়েকজন আলেম আকিকাকে অবশ্যপালনীয় ওয়াজিব বলে গণ্য করেছেন। ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মতে, এটি শুধুই মুস্তাহাব বা পুণ্যজনক। মুসলমান পরিবারে শিশুর জন্মের পর সপ্তম দিনে আল্লাহর উদ্দেশে নবজাতকের মঙ্গল-কামনায় পালিত অনুষ্ঠানের নাম আকিকা। এই দিন […]

বিস্তারিত

আল্লাহ যেভাবে বান্দার দোয়া কবুল করেন

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বান্দাকে ক্ষমার জন্য ক্ষমার জন্য অপেক্ষায় থেকেন। আমরা যদি সৃষ্টিকর্তাকে সঠিকভাবে এবং উদ্বিগ্নচিত্তে স্মরণ করি, তাহলে তিনি অবশ্যই আমাদের ডাক শুনবেন আর আমাদের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবেন । আসলে যে ব্যক্তি প্রকৃত প্রেরণা নিয়ে প্রার্থনা করে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে কখনো ব্যর্থ হতে দেন না । যেভাবে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ […]

বিস্তারিত

দরুদ পড়ার ফজিলত

একদিন এক লোক রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে নামাজ পড়ে দোয়া করল, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার গুনাহ মাফ করো এবং আমার ওপর রহম করো!’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বললেন, ‘ওহে মুসল্লি! তুমি খুব তাড়াহুড়া করেছ। শোনো, যখন তুমি নামাজ পড়বে, তখন প্রথমে আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করবে, তারপর আমার ওপর দরুদ পাঠ করবে এবং (সবশেষে নিজের জন্য) দোয়া […]

বিস্তারিত