অধীনদের সঙ্গে নবীজির আচরণ

মহানবী (সা.) মানুষের মর্যাদা, অবস্থান ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ ও উত্তম আচরণ করতেন। সম্মান, দয়া, ন্যায়বিচার ও বিনয় ছিল তাঁর চরিত্রের ভূষণ। তিনি যেমন সমাজের প্রবীণ, জ্ঞানী ও মর্যাদাবান ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান দিতেন, তেমনি অধীনস্থ শ্রমিক ও কর্মচারীদের সঙ্গেও দয়া, সহানুভূতি ও ন্যায়পরায়ণতার আচরণ করতেন। অধীনদের তিনি কখনো তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেন না; বরং সম্মান ও […]

বিস্তারিত

ইসলামে দায়িত্বশীলতার

অপূর্ব শিক্ষা কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে নিজের কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেয় ইসলাম। বিশেষত নিজের ওপর যখন কোনো কাজ বা দায়িত্ব বর্তায়, তখন উপযুক্ত শ্রম বিনিয়োগ বা কাজ সম্পাদন না করে অবহেলা বা ফাঁকিবাজি করা ইসলামের দৃষ্টিতে খুবই নিন্দনীয় ও অপরাধযোগ্য। প্রতিটি দায়িত্বই একটি আমানত। আর আমানতের যথার্থ হক আদায় করা ইসলামের মৌলিক […]

বিস্তারিত

দাম্পত্য জীবনে একজন মুমিন স্বামীর ৮ দায়িত্ব

একটি সুখী ও আদর্শ পরিবার গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলাম স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইসলামে দাম্পত্য জীবন কেবল একটি আইনি চুক্তি নয়, বরং এটি মায়া, মমতা ও ত্যাগের এক পবিত্র বন্ধন। বিশেষ করে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্বগুলো যথাযথ পালনের ওপরই নির্ভর করে একটি গৃহের শান্তি ও সমৃদ্ধি।১. ধর্মীয় […]

বিস্তারিত

সুরা নাস্‌র-বিজয়ের আনন্দ ও বিদায়ের মহিমা

পবিত্র কোরআনের অন্যতম ছোট সুরা ‘নাস্‌র’। কিন্তু এই সুরায় লুকিয়ে আছে মুসলিম ইতিহাসের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি এবং এক মহান আত্মার বিদায়ের ইঙ্গিত। এই সুরাটি একদিকে মক্কা বিজয় ও ইসলামের প্রসারের সুসংবাদ দেয়, অন্যদিকে অত্যন্ত নিভৃতে মহানবী (সা.)-এর পার্থিব জীবনের সমাপ্তি ও মহান রবের সান্নিধ্যে গমনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেয়। বিজয়ের সুসংবাদ সুরা নাস্‌রের প্রথম আয়াতে […]

বিস্তারিত

কোরআন যেভাবে জীবনের সফলতার পথ দেখায়

পরকালে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পাওয়া এবং জান্নাতে প্রবেশ করা প্রত্যেক মুমিনের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য।  পবিত্র কোরআনে এই মুক্তিকে ‘জুহজিহা’ শব্দ দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। যার শাব্দিক অর্থ হলো—দ্রুত ও সজোরে টেনে দূরে সরিয়ে নেওয়া। অর্থাৎ হাশরের ময়দানে যাকে জাহান্নামের কিনারা থেকে দ্রুত টেনে সরিয়ে নেওয়া হবে, সেই সফল। (ইবনে কাসির, তাফসিরুল কুরআনিল আজিম, ২/১৬২, দারু তাইয়িবাহ, […]

বিস্তারিত

কাজা রোজা আদায়ে কত দিন দেরি করা যাবে

শরয়ি কোনো ওজরের কারণে—যেমন অসুস্থতা, সফর, ঋতুস্রাব কিংবা গর্ভকালীন ও দুগ্ধদানকালীন সমস্যার কারণে রমজানে রোজা ভাঙার অনুমতি থাকলেও পরে তা কাজা করা বাধ্যতামূলক। অনেক সময় দেখা যায়, অজ্ঞতা, অলসতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার কারণে অনেকে সময়মতো এই কাজা আদায় করতে পারেন না। এমনকি এক রমজানের কাজা শেষ হওয়ার আগেই পরবর্তী রমজান চলে আসে।বিলম্বের কারণ ও দায়বদ্ধতারমজানের […]

বিস্তারিত