যেভাবে তওবা করলে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়

‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ অর্থ ‘আমি আল্লাহর ক্ষমাপ্রার্থনা করছি’। প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ইসতেগফারটি ৩ বার পড়তেন।’ (মিশকাত) ‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।’ অর্থাৎ, আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছেই ফিরে আসছি। এই ইসতেগফারটি প্রতিদিন ৭০ থেকে একশবার পড়কে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিন সত্তরবারের বেশি তওবাহ ও ইসতেগফার করতেন।’ (বুখারি) রাব্বিগ্ […]

বিস্তারিত

জীবন-মৃত্যুর ফিতনা

কুরআন ও হাদীসের আলোকে আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা কেউ যখন সালাতে তাশাহুদ পড়ে তখন সে যেনো চারটি জিনিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রার্থনা করে এ বলে দু’আ করে…আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন আযাবি জাহান্নাম ওয়া মিন আযাবিল কবওে ওয়া মিন ফিতনাদিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামাতি ওয়া মিন […]

বিস্তারিত

শাবান থেকে যেভাবে রমজানের প্রস্তুতি

শাবান ও রমজান উভয়টিই গুরুত্ববহ ও ফজিলতপূর্ণ মাস। রমজানের গুরুত্ব তো প্রায় সবাই বোঝেন। কিন্তু শাবান মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা উদাসীন। অথচ রমজানপূর্ব মাস হিসেবে এটি রমজানের চূড়ান্ত প্রস্তুতির শেষ মাস। তাই শাবান মাসকেও নবীজি (সা.) গুরুত্ব দিতেন। গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রাখতেন এবং অন্যান্য আমল করতেন। ১. রমজান লাভের জন্য দোয়া করা সাহাবায়ে কেরাম দুই […]

বিস্তারিত

কবর জিয়ারতের করণীয় ও বর্জনীয়

মুসলমানদের কবর দেওয়ার পর মৃত ব্যক্তির মুক্তির জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করা হয়। কবরস্থানকে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা কর্তব্য। কবরের ওপর দিয়ে চলাচল করা কিংবা কবরের অবমাননা করা অনুচিত। কবরস্থানে ঢুকে ‘আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর’ বলতে হয়। দরুদ শরিফ, সুরা ফাতিহা ও পবিত্র কোরআনের আয়াত তিলাওয়াত করে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে হয়। দোয়া […]

বিস্তারিত

অর্থ বুঝে নামাজ পড়ার ফজিলত

সুরা ফাতিহায় আমরা যখন বলি, ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন (সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের মালিক আল্লাহর জন্যই)।’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হামিদা নি, আবদি (আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল)।’ অতঃপর আমরা যখন বলি—‘আর রাহমানির রাহিম (তিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু)’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আছনা আলাইয়া আবদি (আমার বান্দা আমার বিশেষ প্রশংসা করল)।’ এরপর যখন আমরা বলি, […]

বিস্তারিত

রাতের শেষ প্রহরে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে সব আমল করতেন

রাত তিনটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত সময়কে রাতের শেষ প্রহর বলা হয়। অনেক গবেষক রাত তিনটা থেকে সুবহে সাদিকের আগের সময়কে রাতের শেষ প্রহর বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রহর গণনার হিসাব অনুযায়ী এ সময়কে রাতের চতুর্থ প্রহর বলা হয়। রাতের চারটি প্রহর সম্পর্কে কবি লিখেছেন, ‘প্রথম প্রহরে সবাই জাগে, দ্বিতীয় প্রহরে ভোগী। তৃতীয় প্রহলে তষ্কর (চোর) জাগে, চতুর্থ প্রহরে যোগী […]

বিস্তারিত