কীভাবে কোরআন পড়লে জীবন বদলে যাবে

আমরা অনেকেই কোরআন পড়ি, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ঠিক কীভাবে পড়ছি? আমাদের পাঠ কি কেবল অক্ষরের উচ্চারণে সীমাবদ্ধ, নাকি তা আমাদের হৃদয়ের গভীরে রেখাপাত করছে? কোরআন পাঠের সঠিক পদ্ধতি এবং এর অন্তর্নিহিত হিদায়াত অনুধাবন করাই হলো দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার মূল চাবিকাঠি।কোরআন পাঠে পাঠকের নিয়তসমাজে কোরআন পাঠকদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত হতে দেখা যায়। কেউ শুধু তাজবিদ বা […]

বিস্তারিত

কোরআন অবমাননাকারীকে যে কঠিন শাস্তি দেবেন আল্লাহ

মানব জাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ করেছেন। মক্কার হেরা গুহায় কোরআনের প্রথম আয়াত ‘ইকরা’ অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে সবার জন্য কোরআনের বিধান মানা অপরিহার্য। এর বাইরে অন্য কিছু অবলম্বন বা ভাবার কোনও সুযোগ নেই। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘এটা সে কিতাব; যাতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত। -(সুরা বাকারা, আয়াত, ২)  কোরআন […]

বিস্তারিত

কোরআনের কথা

পৃথিবীর বাদশাহ হজরত মুহাম্মাদ (সা.) তখন মক্কায়। কাফেররা তাঁর নবুওয়াতের সত্যতা যাচাই করতে চাইল। মদিনার ইহুদিদের কাছে প্রতিনিধি দল পাঠাল। প্রতিনিধি দল তাদের কাছে মুহাম্মাদ (সা.) সম্পর্কে জানতে চাইল। ইহুদিরা প্রতিনিধি দলকে তিনটি প্রশ্ন শিখিয়ে দিয়ে বলল, এগুলোর উত্তর সত্য নবী ছাড়া কেউ দিতে পারবে না। এর মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল ‘ওই ব্যক্তির অবস্থা বলুন, […]

বিস্তারিত

দরুদ পাঠের সওয়াব

আল্লাহর নবীকে (সা.) কেউ সালাম পাঠালে এবং তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করা হলে, তা তাঁর অবিদিত থাকে না। বরং হাদিসে আছে, আল্লাহর অনেক ফেরেশতা জমিনে বিচরণরত আছেন। উম্মতের সালাম তারা নবীজির (সা.) কাছে পৌঁছে দেন (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১,২৮১)। এমনকি এক হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) নিজেই সালামের উত্তর দেন। কীভাবে? আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত […]

বিস্তারিত

আল্লাহর ভয়!

হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় একটি হাদিসে রাসুল (সা.) একদিন প্রাচীনকালের একটি ঘটনা বলেছেন। তিন ব্যক্তি একটি গুহায় আশ্রয় নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিল। হঠাৎ পাহাড়ের ওপর থেকে বিরাট এক পাথরের চাই গড়িয়ে পড়ে গুহার মুখ বন্ধ হয়ে যায়। তিনজন এবার নিজেদের সৎকর্মের অছিলায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন, যেন তিনি তাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।  তাদের […]

বিস্তারিত

রমজান মাসে কোরআন মজিদ তিলাওয়াত ও তার গভীর অর্থ অনুধাবন

পবিত্র কোরআন নাজিলের জন্যই রমজান মাসের ফজিলত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস, যে মাসে নাজিল করা হয়েছে আল–কোরআন, মানুষের জন্য হেদায়েত রূপে এবং পথনির্দেশনার প্রমাণ ও সত্য-মিথ্যা পার্থক্য নিরূপণকারী হিসেবে।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২৮৫)। শবে কদরের ফজিলত কোরআন নাজিলের কারণেই। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আমি কদরের রাতে কোরআন নাজিল করেছি।’ (সুরা-৯৭, আয়াত: ১) মক্কা–মদিনার ফজিলতও […]

বিস্তারিত